
১৯ জুলাই ভোরে যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা-মেক্সিকো বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হয় ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স। প্রথমার্ধে ইংল্যান্ড গোলের ঝড় তুলে টানা চার গোল করে ৪-০ ব্যবধানে বিরতিতে যায়। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর পরপরই এমবাপ্পে দুই গোল ও এক অ্যাসিস্ট দিয়ে ফ্রান্সের ব্যবধান কমান।
বড় ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা ফ্রান্স দ্বিতীয়ার্ধে যেন জেগে ওঠে। ৪৮তম মিনিটে অলিসের অ্যাসিস্টে এমবাপ্পে পেনাল্টি এলাকায় একটা শট গোলে পরিণত করেন—ফ্রান্স স্কোর ১-৪ করে।
এটি এমবাপ্পের এবারের বিশ্বকাপের নবম গোল, যার ফলে তিনি গোলদাতা তালিকায় মেসিকে টপকে আবার এবারের গোল্ডেন বুট দৌড়ে শীর্ষে উঠে আসেন।

একই সঙ্গে এটি এমবাপ্পের ব্যক্তিগত ২১তম বিশ্বকাপ গোল—একইভাবে ২১ গোল করা মেসির সঙ্গে সমানে সমান হয়ে দুজনেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের গোলদাতা তালিকায় যৌথ শীর্ষে ছিলেন।
এছাড়া এমবাপ্পেকে অ্যাসিস্ট দেওয়া অলিসে ৬ অ্যাসিস্ট নিয়ে ১৯৭০ সালের ফুটবল সম্রাট পেলের সঙ্গে সমানে সমান হয়ে একক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্টের রেকর্ডে যৌথভাবে শীর্ষে উঠেছেন।
এক গোল করার কিছুক্ষণ পর এমবাপ্পে সহকর্মী বারকোলাকে অ্যাসিস্ট দিয়ে দলকে ২-৪ স্কোরে নিয়ে আসেন।

৬৬তম মিনিটে এমবাপ্পে ইতিহাস গড়ার মুহূর্তে পৌঁছান। তিনি পেনাল্টি এলাকায় লো শট করে নিজের এ ম্যাচের দ্বিতীয় গোল করেন—ফ্রান্স ৩-৪ স্কোরে আবার আশার আলো দেখে।
এই গোলে এমবাপ্পে এবারের বিশ্বকাপ গোলদাতা তালিকায় নিজের অবস্থান আরও মজবুত করেন, এবং একই সঙ্গে ২২ গোলে মেসিকে টপকে একাই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে ওঠেন।
পরবর্তী নিবন্ধ: নেই